Breaking News

ঋনের দায়ে জর্জরিত, হাতে ছিল না কাজ, দেউলিয়া অমিতাভকে সাহায্য করতে চেয়েছিলেন আম্বানি!

লিউডের অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেতা হলেন অমিতাভ বচ্চন। বলিউডে তিনি বিগ বি নামেও পরিচিত। বাইরে থেকে তাকে বেশ রাফ অ্যান্ড টাফ মনে হলেও বেশ কিছু অনুষ্ঠানে তিনি আবেগতাড়িত হয়ে পড়তে দেখা গেছে। বচ্চন পরিবারের সাথে আম্বানি পরিবারের বেশ বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে।

সেরকমই একটি অনুষ্ঠানে আসেন অমিতাভ বচ্চন। সেখানে উপস্থিত ছিলেন মুকেশ আম্বানি এবং নীতা আম্বানিও। এই অনুষ্ঠানেই অমিতাভ বচ্চন মুকেশ আম্বানির পিতা ধীরুভাই আম্বানির সাথে তার সম্পর্কের একটি ঘটনা বলতে গিয়ে তিনি আবেগতাড়িত হয়ে পড়েন।

ধীরুভাই আম্বানির সময় থেকেই অমিতাভ বচ্চনের সঙ্গে তাদের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। বর্তমানেও মুকেশ আম্বানি ও অনিল আম্বানির সাথেও বচ্চন পরিবারের সকলের বেশ ভালো সম্পর্ক রয়েছে। আম্বানি পরিবারের সমস্ত অনুষ্ঠানেই বচ্চন পরিবারের আমন্ত্রণ থাকে।

রিলায়েন্স আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অমিতাভ। সেখানেই তিনি জানান একসময়ে তিনি ঋণের দায়ে জর্জরিত হয়ে দেউলিয়া হয়ে যান। সেইসময় তার হাতে কোনো কাজ ছিল না। খুবই অসহায় হয়ে পড়েছিলেন। সেইসময় মুকেশ আম্বানির বাবা ধীরুভাই আম্বানি নিজের ছোট ছেলে অনিল আম্বানির হাত দিয়ে কিছু টাকা পাঠান। তবে সেইসময় অমিতাভ বচ্চন ভগবানের উপর ভরসা রেখেছিলেন। ধীরুভাইয়ের দেওয়া টাকা তিনি নেননি।

তবে ধীরুভাই আম্বানি যে পরিমাণ অর্থ সাহায্য করেছিলেন তাতে অমিতাভ বচ্চনের সমস্ত দেনা শোধ হয়ে যেত। কিন্তু তিনি তা নেননি। পরে অবশ্য অমিতাভ বচ্চনের আর্থিক সংকট কেটে গিয়েছিল। এই ঘটনার পাশাপাশি তিনি আরেকটি ঘটনাও বলেন যে একটি ডিনার পার্টিতে ধীরুভাই অমিতাভ বচ্চনকে নিজের টেবিলে বসিয়ে বলেন যে অমিতাভ বচ্চন একদিন সব দিক থেকে ভেঙ্গে পড়েছিলেন কিন্তু নিজের চেষ্টাতেই তিনি আবার উঠে দাঁড়িয়েছিলেন।

তারপরেই ধীরুভাই বলেন তিনি অমিতাভ বচ্চনকে শ্রদ্ধা করেন। এসব ঘটনা বলতে বলতেই অমিতাভ বচ্চনের চোখ জলে ভরে যায় মুকেশ আম্বানিও আবেগতাড়িত হয়ে পড়েন। এই অনুষ্ঠানেই বিগবি বলেন তিনি ধীরুভাইয়ের উপকার কোনোদিন ভুলবেন না।

About Desk Five

Check Also

‘কাঁচা বাদামের’ পর এবার ‘তিলের খাজা’ দেখুন বিস্তারিত

সোশ্যাল মিডিয়া আজব স্থান। কখন কে ভাইরাল হবেন, কেউ ধরতে পারবেন না। দিন কয়েক আগেই …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *