Breaking News

নিজের সন্তানকে মেধাবী ও বুদ্ধিমান করতে চাইলে এই ১০ টি উপায় মেনে চলুন! রইল বিস্তারিত।

আমরা প্রত্যেকেই চাই যে আমাদের ছোট্ট ছেলেটির মেধা বুদ্ধি যেন প্রতিনিয়ত বাড়তে থাকে । এবং আর বাকি সাদাম পাঁচটা ছেলের থেকে একটু আলাদা যেন হয় । কখনো কখনো তেমনটা হলেও অনেক ক্ষেত্রে তেমনটা হয়ে ওঠেনা । ছেলে বা মেয়ে হয়ে ওঠে বাকি সাধারণ পাঁচটা পাঁচ জনের মত । কিন্তু ছোটবেলা থেকে এমন কিছু ধরনের খাবার রয়েছে যেগুলো প্রতিনিয়ত খাবারের রুটিন এর তালিকায় রাখলে পরিবর্তন ঘটতে পারে স্মৃতি শক্তির এবং বুদ্ধির । একদমই ঠিক ধরেছেন । কারণ বেশ কিছু খাবার রয়েছে যেগুলো মধ্যে এমন কিছু উপাদান রয়েছে যা স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধিতে এবং শিশুকে মেধাবী করে তুলতে সাহায্য করে । আজকের প্রতিবেদন আমরা জেনে নেব সেই সমস্ত খাবারের সম্পর্কে ।

১) প্রথমত ছোটবেলা থেকে তার প্রতিভা বা ইচ্ছেকে গুরুত্ব দিতে হবে । যেমন ধরুন যদি আপনার সন্তান গান নাচ আবৃতি আঁকা বা খেলাধুলাতে বিশেষ মনোযোগ থেকে থাকে তাহলে তাকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে সেই সমস্ত বিষয়গুলি করতে দেন ।। যেগুলি তার ভালো লাগে তাকে কখনোই নিয়মমাফিক দেবেন না যে বড় হয়ে থাকে এমন টাই হতে হবে তাহলে কিন্তু সে বিগড়ে যাবে ।
২)আপনি আপনার সন্তানকে বুদ্ধিমান এবং মেধাবী করতে গেলে অতি অবশ্যই বাবা মায়ের দায়িত্ব পালন করুন। সন্তান কি বলতে চাইছে তার মনের মধ্যে কোন জিনিস লোকানো রয়েছে সেসব কিছু জানার চেষ্টা করুন।

৩)বুদ্ধিমান শিশুদের উদ্বুদ্ধ রাখতে, আগ্রহী রাখতে তাদেরকে অভিনব সব অভিজ্ঞতার মুখোমুখি করতে হয়। জীবনের বিচিত্র সব অভিজ্ঞতা শিশুদের আত্মবিশ্বাস বাড়ায়। সাহস বাড়ায়। মনোবিজ্ঞানীরা বলেন, দিনের পর দিন একইরকম গতানুগতিক জীবন আলস্য, স্থবিরতা ডেকে আনে। নতুন নতুন চ্যালেঞ্জ প্রতিকুলতার সাথে শি’শুর খাপ খাওয়ানোর ক্ষ’মতা বাড়ায়।
৪)পড়ার ঘর গুছিয়ে রাখুন ।পাশাপাশি পড়ার ঘরে রাখুন একটি বুক সেল্ফ যার মধ্যে সমস্ত বই গোছানো অবস্থায় থাকবে।

৫)ঘরে পর্যাপ্ত পরিমাণে আলো রাখুন ।কারণ গবেষণায় এমনটাই জানা যাচ্ছে যদি পর্যাপ্ত পরিমাণে আলো ঘরে থাকে তাহলে শিশুর পড়াশোনা করতে অনেকখানি সুবিধা হয়। তার পাশাপাশি তারা পড়াশোনায় মনোযোগী হয়ে ওঠে ধীরে ধীরে।
৬)বাচ্চার বুদ্ধিবৃত্তিক এবং আবেগের চাহি’দাকে সাহায্য করতে হবেঃ- সমস্ত শিক্ষার মূলে রয়েছে জানার আগ্রহ, জিজ্ঞাসা। স্কুল শুরুর আগেই শিশুরা অনেক প্রশ্ন করে। ধৈর্য না হারিয়ে সেসব প্রশ্নের উত্তর দেওয়া ।

৭)সর্বদা পড়াশোনা কথা কখনোই শিশুকে বলবেন না মাঝেমধ্যে অবশ্যই ব্রেক দেন। সেই ব্রেকের সময় আপনি তার সাথে গল্প করতে পারেন বা সে ভিডিও গেম খেলতে পারে এমনকি বাড়ির মধ্যে যে কোন ধরনের খেলাধুলা করতে পারে বা যেকোনো বিনোদনের সাথে যুক্ত থাকতে পারে।
৮),পড়াশোনা করতে বসানোর আগে অতি অবশ্যই তাকে বিনোদন জগতের সাথে যুক্ত রাখুন। হতে পারে সেটি আপনার হাত ধরে ।অর্থাৎ আপনি নিজে তাদেরকে কোন গল্প বলছেন বা নিজে এমন কোন কাজ করছেন যেগুলোর মাধ্যমে সে আনন্দিত হচ্ছে ।কাজেই আপনাকে খেয়াল রাখতে হবে যাতে আপনার শিশু পড়াশোনা শুরু করার আগে একটু হাসি খুশি থাকতে পারে।

৯)তার চেষ্টাকে অতি অবশ্যই প্রাধান্য দিন। অর্থাৎ কোনো শিশু যদি কোন কিছু নতুন শেখার আগ্রহ প্রকাশ করছে তাহলে অতি অবশ্যই তার সেই ইচ্ছে বা আগ্রহ কে প্রশংসা করুন ।এতে শিশুর মনে বিকাশ ঘটবে এবং ছোটবেলা থেকে সে বুদ্ধিমানের পথে হাঁটা শুরু করবে ।
১০) প্রতিনিয়ত কাজের তালিকা তৈরি করে রাখুন। বাড়িতে কোন বোর্ড রাখুন। যার মধ্যে প্রতিদিনের কাজের তালিকা তৈরি করা থাকবে ।পাশাপাশি তৈরি করা থাকবে গুরুত্বপূর্ণ দিনগুলির কথা এবং বন্ধু-বান্ধবীদের জন্মদিনের কথা যার। ফলে সন্তান বুঝতে পারবে যে আপনি তার প্রতি দায়িত্ব বান অনেকটা।

About Desk Six

Check Also

শহর পাহারা দেবে এবার রোবট কুকুর, নতুন টেকনোলোজিতে অবাক দর্শক!

প্রাচীন রোমান সাম্রাজ্যের নিদর্শন ও স্মৃতি বিজড়িত এক শহর পম্পেই। ইতালির দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত ঐতিহাসিক এই …

Leave a Reply

Your email address will not be published.